হানিকারক বক্তব্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করে ভারতীয় গণমাধ্যম: ভারতীয় পাইলট অভিনন্দন

Uncategorized

(নয়াদিল্লি, ভারত) ‘ভারতীয় গণমাধ্যম সবসময় ছোট ঘটনা বড় করে দেখায় এবং এতে মানুষ বিভ্রান্ত হয়। দেশে ফেরার পর ভারতীয় গণমাধ্যমের সমালোচনা এ কথা বলেন ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্সের (আইএএফ) উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমান। তিনি বলেন, তারা সবসময় বাড়িয়ে বলে এবং হানিকারক বক্তব্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করে। রাত আটটা ৩৫ মিনিটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম ডন দেশটির জাতীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত একটি ভিডিও টেপের বরাত দিয়ে এ খবর  জানায়। এতে অভিনন্দনকে তার ইউনিফর্মে দেখা যায়।

পাকিস্তান বুধবার ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি বিমান ভূপাতিত করার দাবি করার পর বিমানটির উইং কমান্ডার অভিনন্দনকে আটক করে। এদিন ভারতের হাতে ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স’র(আইএএফ) পাইলট অভিনন্দনকে তুলে দিয়েছে পাকিস্তান। এসময় আত্তারি সীমান্তে তাকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন এয়ার ভাইস মার্শাল আরজিকে কাপুরসহ অসংখ্য ভারতীয়। ভারতীয় সময় শুক্রবার রাত নয়টা ৫৫ মিনিটে ভারতের মাটিতে পা রাখেন অভিনন্দন।

ভিডিও বার্তায় অভিনন্দন বলেন, ‘আমি উইং কমান্ডার অভিনন্দন। আমি আইএএফের একজন ফাইটার পাইলট। আমি যখন লক্ষ্যে পৌঁছাতে চেষ্টা করছিলাম, তখন পাকিস্তান এয়ার ফোর্সের গুলিতে আমার বিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর আমি প্যারাস্যুট করে যখন মাটিতে পা রাখি, তখন আমার হাতে পিস্তল ছিল।’ ‘সেখানে অনেক মানুষ ছিল। আমার কাছে নিজেকে রক্ষা করার একটাই উপায় ছিল। আমি আমার পিস্তল ফেলে দিই এবং দৌড়াতে শুরু করি। সেখানকার মানুষ আমাকে ধরে ফেলে। তারা খুবই উত্তেজিত ছিল। ঠিক তখনই দুই পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা এসে আমাকে রক্ষা করে।’

ভারতীয় এ পাইলট বলেন, ‘পাকিস্তানি সেনারা আমাকে তাদের ইউনিটে নিয়ে যান। সেখানে আমাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। তারপর আমাকে একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। হাসপাতালটিতে আমার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে আবারও চিকিৎসা দেয়া হয়। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী খুবই প্রফেশনাল। আমি এখানে স্বস্তিবোধ করেছি এবং পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে ভালো সময় কাটিয়েছি। এজন্যে আমি খুবই অভিভূত।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *