ডাকসু নির্বাচনে অনাবাসিক শিক্ষার্থীরাই মূল ফ্যাক্টর

Uncategorized

(ঢাকা, বাংলাদেশ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ(ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন সোমবার। এ নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ অনেক। বিশেষ করে অনাবাসিক শিক্ষার্থীরাই মূল ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে এ নির্বাচনে। ছাত্রলীগ, ছাত্রদল, ছাত্র ইউনিয়নসহ সব দলের প্রার্থীরাই মনে করে অনাবাসিক শিক্ষার্থীরাই মূল ফ্যাক্টর। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে ছাত্রলীগের একচ্ছত্র আধিপত্য থাকলেও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের মাঝে সেটা করতে পারেনি ক্ষমতাসীন সংগঠনটি।খবর আরটিভি অনলাইনের।

খবরে বলা হয়েছে, মোট শিক্ষার্থীর প্রায় অর্ধেকই থাকেন হলের বাইরে। প্রায় বিশ হাজারের অধিক অনাবাসিক ভোটার এবার ডাকসুর ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে। হলগুলোতে ছাত্রলীগ প্রভাব তৈরি করতে পারলেও অনাবাসিক ভোট নিয়ে সব দলের শঙ্কা রয়েছে।

প্রার্থীরা বলছেন, ১৮টি হলের অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগই সরাসরি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নয়। এর সঙ্গে আরও একটি বিষয় নির্বাচনে কাজ করবে তা হলো অঞ্চলভিত্তিক রাজনীতি। এর বাইরে টিএসসিভিত্তিক সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরাও ভোটের ফল নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া প্যানেলের পাশাপাশি প্রার্থীর আচার-আচরণ ও কর্মতৎপরতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। যদিও প্যানেল তৈরির ক্ষেত্রে সংগঠনগুলো এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েছে।

গেল কয়েকদিন শেষ মুহূর্তের প্রচারে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন শীর্ষ ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতারা। ছাত্রদের জন্য এবং শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত করতে প্রতিশ্রুতির বুলি শুনিয়ে যাচ্ছেন তারা। রাত ১২টা পর্যন্ত ছেলেদের হলগুলোতে প্রচার চলে। সরাসরি কোনও রাজনৈতিক দলের নির্বাচন না হলেও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ, বিএনপি, সিপিবি নেতৃত্বাধীন বামজোটসহ সব রাজনৈতিক দলের নজর এখন ডাকসুর দিকে। আগামীতে দেশ ও প্রজন্ম কোন ধরনের নেতৃত্ব পছন্দ করে তারই চিত্র উঠে আসবে এই নির্বাচনের ফল থেকে।

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী, ডাকসু ও হল সংসদের মোট ভোটার ৪৩ হাজার ২৫৬ জন। এর মধ্যে প্রায় ৬০ ভাগ আবাসিক ও ৪০ ভাগ অনাবাসিক। পাঁচটি ছাত্রী হলে আবাসিক-অনাবাসিক মিলিয়ে আছেন প্রায় ১৬ হাজার শিক্ষার্থী। হলে থাকেন ৯ হাজারের মতো, বাকি ৬ হাজার থাকেন হলের বাইরে।

একইভাবে ১৩টি ছাত্র হলে আবাসিক-অনাবাসিক ছাত্রের সংখ্যা ২৯ হাজারের কাছাকাছি। এর মধ্যে ১৫ হাজার ছাত্র হলে থাকেন, বাইরে থাকেন ১৪ হাজার। অনাবাসিক ছাত্রদের মধ্যে বড়জোর এক হাজার ছাত্র দলীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। বাকি ১৫ হাজার দলীয় রাজনীতির বাইরে। সব মিলিয়ে ২৮ হাজার ছাত্রছাত্রীই প্রত্যক্ষভাবে কোনও রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নয়। প্রার্থীরা বলছেন, তারাই হবেন মূল ফ্যাক্টর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *