ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের তিন দশক: উদ্ভাবকের গলায় হতাশার সুর

আমেরিকা

(ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র) ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব তথা ডব্লিউ ডব্লিউ ডব্লিউ (www) ছাড়া কারো কারো একটি মুহূর্তও কাটেনি। ৩০ বছর আগে এর সূচনা হয়। তারপর পাল্টে গেছে ইন্টারনেট জগতের মানচিত্র। সহজ হয়ে গেছে তথ্যের আদান-প্রদান। এর আবিষ্কারক স্যার টিম বার্নার্স লিকে শ্রদ্ধা জানাতে বিশেষ ডুডল প্রকাশ করেছে গুগল। কিন্তু আবিষ্কারকের গলায় শোনা গেল হতাশার সুর। বললেন, ‌’ইন্টারনেট এখন আর আগের মতো ব্যবহারকারীদের জন্য আনন্দের নেই। ইন্টারনেটের কারণে গণতন্ত্র ও মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা হুমকির মুখে পড়েছে।’

ওয়েবের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সোমবার এক সাক্ষাৎকারে লি বলেন, ‌যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পর নির্বাচন আর ব্রেক্সিটের মতো ঘটনা আমাকে শঙ্কিত করেছে। এই ভেবে যে, ওয়েব এখন আর মানবতার সেবায় কাজ করতে পারছে না।

১৯৮৯ সালের ১২ মার্চ। ৩৩ বছর বয়সী টিম কাজ করছিলেন সার্নের গবেষণাগারে। এর এক ফাঁকেই তৈরি করলেন একটি প্রস্তাবনা ‘ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট’ বা ‘তথ্য ব্যবস্থাপনা’। জমা দিলেন বসের কাছে। আর সেই দিনই সূচনা হয় ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের। বসের কাছে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট না হলেও তিনি টিমকে উৎসাহ দেন। বলেন, “অস্পষ্ট কিন্তু অসাধারণ”।

এর আরও চার বছর পর ১৯৯৩ সালে পাবলিক করা হয় ওয়েব। কিছুদিন পরই মোজাইক সার্চ ইঞ্জিনের কারণে জনপ্রিয়তা বাড়ে। ওয়েব ধীরে ধীরে হয়ে উঠল আরও ব্যবহার বান্ধব। এর পর আসে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, গুগল ক্রোম ও মজিলা ফায়ারফক্সের মতো সার্চ ইঞ্জিন।এদিকে ডব্লিউ ডব্লিউ ডব্লিউয়ের আবিষ্কারক টিম সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। তিনি চান ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের নিজেদের তথ্যের ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *