মুসলমান

একের পর এক খুন, ভারতের রাজনীতিতে বলির পাঠা মুসলমানরা

ভারত লিড নিউজ

ভোট মানেই খুনোখুনি, ভোট মানেই সন্ত্রাস।ভোট আসলেই মুর্শিদাবাদে শুরু খুনের রাজনীতি।আর এই রাজনীতির বলি হয় আলতাব শেখ, তহীদুল মন্ডল, ইয়ার আলী, সফিকুল ইসলাম, মইনুল ইসলামেরা।

সোমবার রাতে নির্বাচনী প্রচার সেরে বাড়ি ফেরার পথে দুস্কৃতিদের হাতে নৃশংস ভাবে খুন হতে হলো ডোমকল পঞ্চায়েত সমিতির মৎস কর্মাধক্ষ আলতাব শেখকে।শুধু আলতাবই শুরু নয়, এর আগে জেলার নানান প্রান্তে ভোটের বলি হতে হয়েছে অন্ততপক্ষে অর্ধ শতাধিক মানুষকে।  আর খুনোখুনির রাজনীতিতে জেলার শীর্ষে রয়েছে ডোমকল ।

২০০৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে শুধুমাত্র ডোমকলে খুন হয়েছিল ১৪ জন। সেই থেকে শুরু হয়ে এখনও বন্ধ হয়ে যায়নি খুনোখুনির খেলা।

২০১০ সালে ডোমকলের নওশাদ শেখকে রাজনৈতিক অস্থিরতায় খুন হতে হয়েছিল।

২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে  ডোমকলের তৃণমূল সদস্য ইয়ার আলী ও তহীদুল মন্ডল খুন হয়।

২০১৭ সালে পুরসভা নির্বাচনের সময় ডোমকলের কুসবেরিয়ায় গুলি করে খুন করা হয় সফিকুল ইসলামকে।

তারপর ২০১৮ সালে হরিহরপাড়ায় মইনুল শেখ, বহরমপুরে নাজমুল শেখ নাজু, রেজিনগরে নাজমুল মীর, মুর্শিদাবাদের পিন্টু মন্ডল খুন হয়। ২০১৯ সাল পড়তেই নাজমুল শেখ, আলতাব শেখের লাশ দেখছে জেলাবাসী।

রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে একের পর এক খুনে কার্যত অতিষ্ঠিত মুর্শিদাবাদের মানুষ।

এদিকে  শুধু ডোমকল কিংবা হরিহরপাড়ায় নয়, ভোট আসলেই গোটা জেলার বিভিন্ন প্রান্তে খুনোখুনির রাজনীতি শুরু হয়।

আর এর বলি হয় সাধারণ মানুষ বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ। আর এদের লাশ নিয়ে খুনের রাজনীতি করে ফায়দা লুটেন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

কিন্তু প্রশ্ন উঠছে আর কত খুন হলে জেলায় থামবে রাজনৈতিক খুনোখুনি? কবেই বা রাজনৈতিক নেতাদের এই কারসাজি নিয়ে সচেতন হবে জেলার মানুষ?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *