মাশরাফি

বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের প্রত্যেকটা ছেলেই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, দাবি মাশরাফির

বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের প্রত্যেকটা ছেলেই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ বলে জানিয়েছেন ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা।

‘শুধু তাই নয় প্রায় সবাই ওমরা করে ফেলেছে’ বলেও জানান তিনি।

গত শনিবার বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে কোরআনিক ভয়েস প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালেতে তিনি এ কথা বলেন। এ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেয়েছে মাশরাফি কন্যা হুমায়রা মোর্ত্তজা। তার তিলাওয়াতে মুগ্ধ হয়ে অনুষ্ঠানের সভাপতি পাঁচ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানের শেষের দিকে মঞ্চে উঠে হাফেজদের প্রশংসা করেন মাশরাফি।

তিনি বলেন, ‘আর একটা কথা না বললেই নয় যে, আগেরবারও বলেছিলাম এবারও বলছি আমাদের দেশের অনেক হাফেজ বিদেশে গিয়ে দেশের সম্মান বয়ে নিয়ে আসছে। আমাদের সবাই চেনে, টিভিতে দেখছে বা ফেসবুকিং করছে আমরা তো কোথাও চ্যাম্পিয়ন হতে পারিনি এখনও। তারপরও আমাদের চ্যাম্পিয়ান বানানো হচ্ছে। আমরা কোথাও থেকে এখনও বড় কোনো টুর্নামেন্ট জিতে আসতে পারিনি।

কিন্তু আজকে আলহামদুলিল্লাহ, এরা বিদেশে গিয়ে চ্যম্পিয়ান হয়ে আসছে, রানার্সআপ হয়ে আসছে। আমি আশা করি, ইশাআল্লাহ সবাই তাদের যথাযথ সম্মান করবে।’

‘এরা চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশেষ করে কোরান শরীফ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাংলাদেশের পতাকা বাইরে উড়াচ্ছে, এটা আমাদের জন্য অনেক গর্বের ব্যাপার’ বলেও মনে করেন মাশরাফি।

জাতীয় ক্রিকেট দলের মুসলমান ক্রিকেটারদের নামাজ পড়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন ওয়ানডে দলের এই অধিনায়ক।

তিনি বলেন, ‘আরেকটা ব্যাপার আপনাদের সামনে বলতে চাই, আপনারা শুনলে হয়তোবা খুশি হবেন এই ম্যাসেজটা দিলে- আমাদের ক্রিকেট টিমের সবাই প্রত্যেকটা ছেলেই নামাজ পড়ি পাঁচ ওয়াক্ত ইনশাআল্লাহ এবং প্রায় সবাই ওমরা করে ফেলেছে। শুধু তাই না আমরা যখন বিদেশে থাকি তখন আমাদের ইমাম সাহেব থাকেন হয় মুশফিক না হয় মাহমুদুল্লাহ।

আমরা জামাত করে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি। আমাদের ক্রিকেটবোর্ড থেকে আলাদা রুম থাকে যাতে আমরা নামাজ পড়তে পারি।’

ম্যাশ বলেন, ‘আপনারা সবাই দোয়া করবেন আমাদের জন্য। আমাদের ক্রিকেট টিম যাচ্ছে সামনে বিশ্বকাপ খেলতে, আমরা যেন ভালো কিছু করতে পারি, দেশের সম্মান বয়ে আনতে পারি, ইনশাআল্লাহ।

আপনারাও ভালো থাকবেন। আপনাদের জন্যও দোয়া থাকবে। এই ধরনের অনুষ্ঠানে সবসময় থাকার চেষ্টা করি, আমি অবশ্যই চেষ্টা করবো বিশেষ করে কোরআন শরিফ প্রতিযোগিতায়, ইসলামিক অনুষ্ঠানে থাকার। আমি এখানে মাননীয় সংসদ সদস্য হিসেবে আসিনি বা ক্রিকেটার হিসেবে আসিনি, এখানে কোরান শরিফ প্রতিযোগিতা হচ্ছে, সব কিছুর ঊর্ধ্বে এটা আমার কাছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *