ইসরাইল থেকে বাঙ্কার বিধ্বংসী বোমা কিনছে ভারত

ভারত

(নয়াদিল্লি, ভারত) কংক্রিটের তৈরি মজবুত ইমারত এবং বাঙ্কার ধ্বংস করতে বাঙ্কার বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ভারত। নতুন এ ক্ষেপণাস্ত্রগুলো হচ্ছে, স্পাইস-২০০০ বোমার শক্তিশালী সংস্করণ। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের বালাকোটে হামলায় ভারতীয় বিমান বাহিনী মিরেজ-২০০০ জঙ্গি বিমান স্পাইস-২০০০ ব্যবহার করেছিল। সে সব বোমা কংক্রিটের কাঠামো গুড়িয়ে দেয়ার মতো শক্তিশালী ছিল না।

খবরে বলা হয়েছে, আইএএফ এখন যে বোমা কেনার পরিকল্পনা করছে তাতে কংক্রিটের দালান বা বাঙ্কার ধ্বংস করে দেয়ার উপযোগী মার্ক-৮৪ বিস্ফোরক বা ওয়ারহেড বসানো থাকবে। ভারতীয় তিন বাহিনীর প্রধানদের জরুরি ক্ষমতা দেয়া আছে। এ ক্ষমতা প্রয়োগ করে তিনশ কোটি রুপি ব্যয় করে তারা নিজেদের পছন্দমতো সামরিক সরঞ্জাম বা যন্ত্রপাতি কিনতে পারেন।

ভারতীয় বিমান বাহিনী অন্যতম প্রধান অস্ত্র এবং গোলাবারুদ সরবরাহকারী হলো ইসরাইল। স্পাইস-২০০০’এর উন্নত সংস্করণও ইসরাইলের কাছ থেকে কেনার পরিকল্পনা করেছে আইএএফ। বিমান বাহিনী প্রধান এ ক্রয়ের জন্য জরুরি ক্ষমতা ব্যবহার করবেন। স্পাইস-২০০০ বোমায় শক্তিশালী বিস্ফোরক বা ওয়ারহেড বসানোর ব্যবস্থা আছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এমকে-৮৪, বিএলইউ-১০৯, এপিডব্লিউ এবং আরএপি-২০০০ বসানো যায়।

জেরুজালেম পোস্ট জানায়, ভারতীয় সেনাবাহিনীও জরুরি ক্ষমতা প্রয়োগ করে ইসরাইলের কাছ থেকে ট্যাংক বিধ্বংসী স্পাইক ক্ষেপণাস্ত্র কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভারত ও পাকিস্তান যদি যুদ্ধ লাগে তাহলে এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে ইসরাইলি অস্ত্র। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের প্রতিরক্ষা বিষয়ক মূল অংশীদার হয়ে উঠেছে ইসরাইল। ভারতে সশস্ত্র বাহিনীর অস্ত্রাগারকে আধুনিক কর্মসূচির অধীনে এনে তাকে আরও আধুনিকায়ন করার ক্ষেত্রে একটি বড় প্রযুক্তিগত ভূমিকা রাখছে ইসরাইল।

সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি পেয়েছে দ্রুত। তার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬০০ কোটি ডলারে। ভারতের অস্ত্রবাজারে ইসরাইলের বিভিন্ন পর্যায়ের বড় বড় অস্ত্র উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সুযোগ খুঁজেছে। এসব কোম্পানির মধ্যে রয়েছে ইসরাইল এরোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ (আইএআই), রাফায়েল এডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমস, ইসরাইল মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিজ (আইএমআই) এবং এলবিট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *