ঢাকার বাইরে ডেঙ্গু ছড়াচ্ছে এডিস মশার বিশেষ প্রজাতি

বাংলাদেশ

ঢাকা, বাংলাদেশ- ঢাকার বাইরে গ্রামাঞ্চলে ডেঙ্গু ছড়ানোর পেছনে এডিস মশার বিশেষ একটি প্রজাতি চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। শহরের বাইরে ডেঙ্গু বিস্তারে এলবোপিক্টাস নামে মশার ওই প্রজাতি দায়ী বলে মনে করছেন তারা। খবর বিবিসির।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত দুই ধরনের মশা ডেঙ্গু ছড়িয়ে থাকে। এর একটি হলো এডিস এজিপ্টাই, আর অন্যটি এডিস এলবোপিক্টাস। এর মধ্যে ঢাকা বা শহরাঞ্চলে বেশি থাকে এজিপ্টাই প্রজাতির মশাটি। আর গ্রামাঞ্চলে এডিস এলবোপিক্টাসের ঘনত্ব বেশি দেখা যায়।

এলবোপিক্টাস মশা সাধারণত ঘরের ভেতরে থাকে না, বরং ঘরের বাইরে কামড়িয়ে থাকে এ প্রজাতির মশাটি। তা ছাড়া পরিচিতি না থাকায় বেশিরভাগ মানুষই জানে না যে এডিস এলবোপিক্টাস মশা কোথায় জন্মায়।

কীটতত্ত্ববিদ বাশার বলেন, এডিস এজিপ্টাইয়ের মতো এটি যেকোন জায়গায় স্বচ্ছ পানি পেলেই বংশবৃদ্ধি করে না। বরং এর জন্য বিশেষ ধরণের পরিবেশের দরকার হয়। তিনি বলেন, এডিস এলবোপিক্টাস জন্মের সবচেয়ে বড় উৎস হল গাছের কোটর। এ ছাড়া বাঁশ কাটার পর গাছের গোড়ায় থেকে যাওয়া যে পানি জমে, সেখানে এলবোপিক্টাস মশা বেশি হয়।

এ কীটতত্ত্ববিদের মতে, কলাগাছের দুটি পাতার মাঝখানে যে পানি জমে, সে পানি থেকেও এলবোপিক্টাস জন্মায়। এলবোপিক্টাস নিয়ন্ত্রণ করতে হলে প্রকৃতিতে পানি জমার পাত্রগুলো স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বন্ধ করতে হবে।

যেমন গাছের কোটর মাটি দিয়ে বন্ধ করে দিতে হবে, কলাগাছের পাতায় কোনা দিয়ে একটু কেটে দিলেই হয়। আর কচু গাছের বড় বড় ডগাগুলো ছেঁটে দিতে হবে। এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতে সাতক্ষীরা জেলায় স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে প্রশিক্ষণ কর্মশালা হয়েছে বলে জানা গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *