অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ: ফিরে দেখা ৫০০ বছরের ইতিহাস

ভারত

এশিয়ান জার্নালস ডেস্ক: উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হাতে ধ্বংস হওয়া ভারতের উত্তরপ্রদেশের অযোদ্ধায় বাবরি মসজিদ ভূমি মালিকানার রায় ঘোষণা করেছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। রায়ে মসজিদের জায়গায় মন্দির নির্মাণের জন্য হিন্দুদের দেয়া হয়েছে। রায়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছেন, অযোদ্ধার বাবরি মসজিদের স্থানে রাম মন্দির নির্মিত হবে; বিকল্প হিসেবে বাবরি মসজিদ নির্মাণের জন্য মুসলিম ওয়াকফ বোর্ডকে পাঁচ একর জমি অন্যত্র প্রদান করা হবে।

ভারতীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ভারতের রাজনীতির একটা বড় অংশ আবর্তিত হয়েছে এই মসজিদের জায়গাকে কেন্দ্র করেই। আসুন যেনে নেই মসজিদটির নির্মাণ থেকে আজকের দিন পর্যন্ত ঐতিহাসিক কিছু ঘটনা।

১৫২৮- মুঘল সম্রাট বাবরের সম্মানে সেনাপতি মীর বাকি বাবরি মসজিদ তৈরি করেন। কিছু হিন্দুর মতে, হিন্দুধর্মের অন্যতম দেবতা রাম জন্মভূমিতে একটি মন্দির ভেঙে মসজিদটি তৈরি করা হয়।

১৮৫৩: ধর্মকে কেন্দ্র করে প্রথমবারের মতো সহিংসতার ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

১৮৮৫- ফৈজাবাদ জেলা আদালতে বাবরি মসজিদের বাইরে চাঁদোয় টাঙানোর আবেদন জানালেন মহান্ত রঘুবর দাস। আদালতে আবেদন নাকচ হয়ে যায়।

১৯৪৯- মসজিদের মূল গম্বুজের নিচে রাম লালার মূর্তি স্থাপন করে হিন্দুরা। মুসলমানরা প্রতিবাদ জানান এবং দুই পক্ষই দেওয়ানি মামলা করে। সরকার ওই চত্বরকে বিতর্কিত জায়গা বলে ঘোষণা দেয় এবং দরজা বন্ধ করে দেয়।

১৯৫০-রামলালার মূর্তিগুলির পূজার অধিকারের আবেদন জানিয়ে ফৈজাবাদ জেলা আদালতে আবেদন করলেন গোপাল শিমলা বিশারদ।

১৯৫০- মূর্তি রাখা ও পূজা চালিয়ে যাওয়ার জন্য মামলা করলেন পরমহংস রামচন্দ্র দাস।

১৯৫৯- ওই স্থানের অধিকার চেয়ে মামলা করল নির্মোহী আখড়া।

১৯৬১- একই দাবি জানিয়ে মামলা করল সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ড।

১৯৮৪: বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) নেতৃত্বে রামের জন্মস্থান উদ্ধার এবং তাঁর সম্মানে একটি মন্দির প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করেন হিন্দুরা। তৎকালীন বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদভানি (পরবর্তী সময়ে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) ওই প্রচারণায় নেতৃত্ব নেন।

১৯৮৬- রাজীব গান্ধী ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। বিচারক আদেশ দেন, যেন বিতর্কিত মসজিদের দরজা উন্মুক্ত করে দিয়ে হিন্দুদের সেখানে উপাসনার সুযোগ দেওয়া হয়। মুসলমানরা এর প্রতিবাদে বাবরি মসজিদ অ্যাকশন কমিটি গঠন করেন।

১৯৮৯: বিতর্কিত মসজিদসংলগ্ন জায়গায় রামমন্দিরের ভিত্তি স্থাপন করে নতুন প্রচারণা শুরু করে ভিএইচপি।

১৯৯০: ভিএইচপির কর্মীরা মসজিদের আংশিক ক্ষতিসাধন করেন। প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রশেখর আলোচনার মাধ্যমে বিতর্ক সমাধানের চেষ্টা করলেও তা পরের বছর বিফল হয়। ২৫ ডিসেম্বর বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদবানি গুজরাটের সোমনাথ থেকে রথযাত্রা শুরু করেন।

১৯৯২: ভিএইচপি, বিজেপি এবং শিবসেনা পার্টির সমর্থকেরা মসজিদটি ধ্বংস করে। এর ফলে পুরো ভারতে হিন্দু–মুসলমানের মধ্যে দাঙ্গায় ২ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়।

১৯৯৩: ৩ এপ্রিল অযোধ্যার জমি অধিগ্রহণ করার জন্য বিতর্কিত এলাকার অধিগ্রহণ আইন পাস হয়। এলাহাবাদ হাইকোর্টে এই আইনের বিভিন্ন বিষয়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রিট পিটিশন জমা পড়ে। সংবিধানের ১৩৯ এ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে ওই রিট পিটিশন বদলি করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট, যা এখনও হাইকোর্টে বিচারাধীন।

১৯৯৪: ২৪ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট ঐতিহাসিক ইসমাইল ফারুকি মামলায় রায়ে জানায়, মসজিদ ইসলামের অন্তর্গত ছিল না।

২০০১: মসজিদ ধ্বংসের বার্ষিকীতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ওই স্থানে আবারও মন্দির তৈরির দাবি তোলে ভিএইচপি।

জানুয়ারি ২০০২: নিজের কার্যালয়ে অযোধ্যা সেল তৈরি করেন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ি।

ফেব্রুয়ারি ২০০২: উত্তর প্রদেশের নির্বাচনের তফসিলে মন্দির তৈরির বিষয়টি বাদ দেয় বিজেপি। ভিএইচপি ১৫ মার্চের মধ্যে মন্দির নির্মাণকাজ শুরু করার ঘোষণা দেয়। শত শত স্বেচ্ছাসেবক বিতর্কিত স্থানে জড়ো হন। অযোধ্যা থেকে ফিরতে থাকা হিন্দু অ্যাকটিভিস্টদের বহনকারী একটি ট্রেনে হামলার ঘটনায় অন্তত ৫৮ জন মারা যায়।

মার্চ ২০০২: ট্রেন হামলার জের ধরে গুজরাটে হওয়া দাঙ্গায় ১ হাজার থেকে ২ হাজার মানুষ মারা যায়।

এপ্রিল ২০০২: ধর্মীয়ভাবে পবিত্র হিসেবে বিবেচিত জায়গাটির মালিকানার দাবিদার কারা, তা নির্ধারণ করতে হাইকোর্টের তিনজন বিচারক শুনানি শুরু করেন।

জানুয়ারি ২০০৩: ওই স্থানে ঈশ্বর রামের মন্দিরের নিদর্শন আছে কি না, তা যাচাই করতে আদালতের নির্দেশে নৃতত্ত্ববিদেরা জরিপ শুরু করেন।

আগস্ট ২০০৩: জরিপে প্রকাশিত হয় যে মসজিদের নিচে মন্দিরের চিহ্ন রয়েছে, কিন্তু মুসলমানরা এই দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

সেপ্টেম্বর ২০০৩: বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পেছনে উসকানি দেওয়ায় সাতজন হিন্দু নেতাকে বিচারের আওতায় আনা উচিত বলে রুল জারি করেন একটি আদালত।২০০৩: ১৩ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেন, অধিগৃহীত জমিতে কোনো রকমের ধর্মীয় কার্যকলাপ চলবে না।

১৪ মার্চ- সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেন, এলাহাবাদ হাইকোর্টে দেয়ানি মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য অন্তর্বর্তী আদেশ কার্যকর থাকবে।

অক্টোবর ২০০৪: বিজেপি নেতা আদভানি জানান, তাঁর দল এখনো অযোধ্যায় মন্দির প্রতিষ্ঠা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তা অবশ্যম্ভাবী।

নভেম্বর ২০০৪: উত্তর প্রদেশের একটি আদালত রায় দেন যে মসজিদ ধ্বংস করার সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকায় আদভানিকে রেহাই দিয়ে আদালতের জারি করা পূর্ববর্তী আদেশ পুনর্যাচাই করা উচিত।

জুলাই ২০০৫: দুর্বৃত্তরা বিস্ফোরকভর্তি একটি জিপ দিয়ে বিতর্কিত স্থানটিতে হামলা চালিয়ে সেখানকার চত্বরের দেয়ালে গর্ত তৈরি করে। নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে নিহত হয় ছয়জন, যাদের মধ্যে পাঁচজনই জঙ্গি বলে দাবি করে নিরাপত্তারক্ষীরা।

জুন ২০০৯: মসজিদ ধ্বংস হওয়া সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে থাকা লিবারহান কমিশন তদন্ত শুরু করার ১৭ বছর পর তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়।

নভেম্বর ২০০৯: প্রকাশিত লিবারহান কমিশনের প্রতিবেদনে মসজিদ ধ্বংসের পেছনে বিজেপির শীর্ষ রাজনীতিবিদদের ভূমিকার বিষয়টি উল্লেখ করা হয় এবং এ নিয়ে সংসদে হট্টগোল হয়।

সেপ্টেম্বর ২০১০: এলাহাবাদ হাইকোর্ট রায় দেন যে স্থানটির নিয়ন্ত্রণ ভাগাভাগি করে দেওয়া উচিত। কোর্টের রায় অনুযায়ী, এক-তৃতীয়াংশের নিয়ন্ত্রণ মুসলমানদের, এক-তৃতীয়াংশ হিন্দুদের এবং বাকি অংশ ‘নির্মোহী আখারা’ গোষ্ঠীর কাছে দেওয়া উচিত। যেই অংশটি বিতর্কের কেন্দ্র, যেখানে মসজিদ ধ্বংস করা হয়েছিল, তার নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হয় হিন্দুদের কাছে। একজন মুসলমান আইনজীবী বলেন, এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।

মে ২০১১: ২০১০ সালের রায়ের বিরুদ্ধে হিন্দু ও মুসলিম দুই পক্ষই আপিল করায় হাইকোর্টের পূর্ববর্তী রায় বাতিল করেন সুপ্রিম কোর্ট।

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬- মসজিদের স্থানে রাম মন্দির তৈরির অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী।

২১ মার্চ, ২০১৭- প্রধান বিচারপতি জেএস খেহর যুযুধান পক্ষগুলিকে আদালতের বাইরে সমঝোতার প্রস্তাব দেন।

৭ আগস্ট- এলাহাবাদ হাইকোর্টের ১৯৯৪ সালের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে করা আবেদনের শুনানির জন্য তিন বিচারপতির বেঞ্চ গঠন করে সুপ্রিম কোর্ট।

৮ আগস্ট – উত্তর প্রদেশের শিয়া সেন্ট্রাল বোর্ড সুপ্রিম কোর্টে জানায়, বিতর্কিত স্থান থেকে কিছুটা দূরে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় মসজিদ বানানো যেতে পারে।

১১ সেপ্টেম্বর- সুপ্রিম কোর্ট এলাহাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নির্দেশ দেয়, বিতর্কিত জমির ব্যাপারে সদর্থক মধ্যস্থতার জন্য দু’জন অতিরিক্ত জেলা বিচারককে ১০ দিনের মধ্যে মনোনয়ন করতে হবে।

২০ নভেম্বর- উত্তর প্রদেশের শিয়া সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ড সুপ্রিম কোর্টকে বলে, অযোধ্যায় মন্দির ও লখনউয়ে মসজিদ বানানো যেতে পারে।

১ ডিসেম্বর- এলাহাবাদ হাইকোর্টে ২০১০ সালের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আবেদন করেন ৩২ জন নাগরিক অধিকার রক্ষা কর্মী।

৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮- সুপ্রিম কোর্টে সমস্ত দেওয়ানি মামলার আবেদনের শুনানি শুরু হয়।

১৪ মার্চ- সুব্রহ্মণ্যম স্বামী-সহ সকল অন্তর্বর্তী আবেদন (যারা এই মামলার পক্ষ হতে চেয়েছিল) নাকচ করে সুপ্রিম কোর্ট।

৬ এপ্রিল- ১৯৯৪ সালের রায়ে যে পর্যবেক্ষণ ছিল তা বৃহত্তর বেঞ্চে পুনর্বিবেচনা করার জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানালেন রাজীব ধাওয়ান।

২০ জুলাই- সুপ্রিম কোর্ট রায়দান স্থগিত রাখল।

২৭ সেপ্টেম্বর- পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে মামলা নিয়ে যেতে অস্বীকার করল সুপ্রিম কোর্ট। জানানো হল, ২৯ অক্টোবর থেকে মামলার শুনানি হবে নবগঠিত তিন বিচারপতির বেঞ্চে।

২৯ অক্টোবর- সুপ্রিম কোর্ট জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে যথাযথ বেঞ্চে মামলার শুনানি স্থির করল, ওই বেঞ্চই শুনানির দিন ধার্য করবে।

২৪ ডিসেম্বর- সুপ্রিম কোর্ট সিদ্ধান্ত নিল, এ সম্পর্কিত সমস্ত আবেদনের শুনানি হবে ৪ জানুয়ারি থেকে।

৪ জানুয়ারি, ২০১৯- সুপ্রিম কোর্ট জানায়, তাদের তৈরি করা যথোপযুক্ত বেঞ্চ মামলার শুনানির তারিখ ১০ জানুয়ারি স্থির করবে।

৮ জানুয়ারি- সুপ্রিম কোর্ট পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ ঘোষণা করে। শীর্ষে রাখা হয় প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈকে। এ ছাড়া বেঞ্চের অন্য বিচারপতিরা হলেন এস এ বোবদে, এনভি রামানা, ইউইউ ললিত এবং ডিওয়াই চন্দ্রচূড়।

১০জানুয়ারি- বিচারপতি ইউইউ ললিত নিজেকে মামলা থেকে সরিয়ে নিয়ে সুপ্রিম কোর্টকে বলেন, ২৯ জানুয়ারি নতুন বেঞ্চের সামনে মামলার শুনানি শুরু করতে।

২৫ জানুয়ারি- সুপ্রিম কোর্ট পাঁচ সদস্যের নতুন সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠন করে। নতুন বেঞ্চের সদস্যরা হলেন বিচারপতি রঞ্জন গগৈ, বিচারপতি এসএ বোবদে, ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, অশোক ভূষণ এবং এস এ নাজির।

২৯ জানুয়ারি- কেন্দ্র সুপ্রিম কোর্টে বিতর্কিত অংশ বাদ দিয়ে বাকি ৬৭ একর জমি তাদের আদত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেবার আবেদন জানায়।

২০ ফেব্রুয়ারি- সুপ্রিম কোর্ট জানায়, মামলার শুনানি শুরু হবে ২৬ জানুয়ারি থেকে।

২৬ ফেব্রুয়ারি- সুপ্রিম কোর্ট মধ্যস্থতার কথা বলে, আদালত নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারীদের কাজে লাগানো হবে কিনা সে সিদ্ধান্ত নেবার জন্য ৫ মার্চ দিন স্থির হয়।

৬ মার্চ- জমি বিতর্ক মধ্যস্থতার মাধ্যমে মীমাংসা করা হবে কিনা সে সম্পর্কিত রায় দান মুলতুবি রাখে সুপ্রিম কোর্ট।

৯ এপ্রিল- নির্মোহী আখড়া কেন্দ্রের জমি ফেরানোর আবেদনের বিরোধিতা করে।

৯ মে- তিন সদস্যের মধ্যস্থতাকারী কমিটি সুপ্রিম কোর্টে তাদের অন্তর্বর্তী রিপোর্ট জমা দেয়।

১৮ জুলাই- সুপ্রিম কোর্ট মধ্যস্থতা চালিয়ে যেতে বলে, ১ অগাস্ট রিপোর্ট জমা দেওয়ার দিন ধার্য হয়।

১ আগস্ট- মধ্যস্থতা সংক্রান্ত রিপোর্ট বন্ধ খামে সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়ে।

৬ আগস্ট- সুপ্রিম কোর্ট জমি মামলায় দৈনিক ভিত্তিতে শুনানির কথা জানায়।

১৬ অক্টোবর- সুপ্রিম কোর্টে শুনানি শেষ হয়, রায়দান মুলতুবি রাখা হয়।

৯ নভেম্বর ২০১৯- শনিবার সকালে ভারতের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ এই রায় দিয়েছে যে বাবরি মসজিদের জায়গায় মন্দির নির্মাণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *