পিপিই সংকটে পাকিস্তানে ডাক্তারদের বিক্ষোভ, পুলিশের হামলা, গ্রেফতার

পাকিস্তান লিড নিউজ

ইসলামাবাদ, পাকিস্তান- পাকিস্তানের কোয়েটায় ডাক্তারদের একটি মিছিলে পুলিশ হামলা করেছে। ১২ জনেরও বেশি ডাক্তার ও প্যারামেডিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা করোনাভাইরাসের চিকিৎসার ক্ষেত্রে যথাযথ সুরক্ষা সরঞ্জামের দাবিতে এই বিক্ষোভে নামে। খবর বিবিসির।

পাকিস্তানের সরকার বলছে, তারা যথেষ্ট মাস্ক ও অন্যান্য সরঞ্জাম দিয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্যসেবার সাথে নিয়োজিতরা বলছে তারা ঝুঁকিতে আছে, কারণ তারা এমন রোগীর সংস্পর্শে আছেন যাদের টেস্ট করা হয়নি।

পাকিস্তানে করোনা পরিস্থিতির বেশ অবনতি হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রদেশে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস। তাতে হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর চাপ। কিন্তু করোনায় আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষামূলক পোশাক (Personal Protective Equipment -PPE) ও সরঞ্জামাদির সরবরাহ বাড়ছে না। বরং হাসপাতালগুলোতে চলছে এসব সামগ্রীর তীব্র সঙ্কট। এ নিয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন দেশটির কিছু ডাক্তার। আর তাতেই তাদের উপর চড়াও হয়েছে পুলিশ।

পিপিই ও চিকিৎসা সামগ্রীর অভাবের বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করায় আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) পাকিস্তানে বেশ কিছু ডাক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ডাক্তাররা পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য বেলুচিস্তানে কোয়েটা শহরে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেছিলেন। প্রতিবাদ করার অভিযোগে তাদের মধ্যে কয়েকজনকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ।

এই ডাক্তাদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে ইয়ং ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন (ওয়াইডিএ) বেলুচিস্তানে অনির্দিষ্টকালের জন্য চিকিৎসা সেবা দেওয়া বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। পাকিস্তানে এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ২৭৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আর তাদের মধ্যে মারা গেছেন ৫০জন।

উপযুক্ত সুরক্ষা বা পিপিই ছাড়া করোনার রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে দেশটিতে ডাক্তাররাও করোনায় সংক্রমিত হচ্ছেন। এখন পর্যন্ত শুধু বেলচিস্তানেই ১৩ জন ডাক্তার করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *