ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড কেউ দখল নিতে পারবে না

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড কেউ দখল নিতে পারবে না: এরদোগান

মধ্যপ্রাচ্য লিড নিউজ

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান আবারও ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড নিয়ে হুশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড কেউ দখল নিতে পারবে না। বায়তুল মুকাদ্দাস (জেরুজালেম) হচ্ছে বিশ্বের মুসলমানদের রেড লাইন। রোববার  ঈদুল ফিতরের বার্তায় ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে এ কথা বলেন তিনি। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ড, ডেইলি সাবাহ ও জেরুজালেম পোস্টের।

এরদোগান বলেন, তুরস্ক কখনোই ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডকে অন্যের হাতে তুলে দেয়ার নীতি ও পরিকল্পনা মেনে নেবে না। আবারও বলতে চাই বায়তুল মুকাদ্দাস বিশ্বের মুসলমানদের রেড লাইন।

তিনি আরও বলেন, ইসরাইল ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করে ফিলিস্তিনিদের অধিকার লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করে চলেছে। এরদোগান পাশ্চাত্যে মুসলমানদের অবস্থা সম্পর্কে বলেন, আমাদের মুসলিম ভাইদেরকে পশ্চিমা দেশগুলোতে প্রতিদিন জাতিগত বিদ্বেষ এবং ইসলাম আতঙ্কের মতো বিষয়গুলো মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

আরও পড়তে পারেন:

‌’আল-আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনি পতাকা উড়াবই’

করোনা মহামারীতে সংকটে ইসরাইলি কারাগারে ফিলিস্তিনিদের জীবন

৫০ ফিলিস্তিনী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেয়ার ঘোষণা পাকিস্তানের

তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, করোনাভাইরাস এটা প্রমাণ করেছে বিশ্বের বিশেষ কোনো দেশ বা অঞ্চল ‌অন্যদের থেকে আলাদা কিছু নয়। দখলকৃত পশ্চিম তীরের উপর ইসরাইলের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়ার ইসরাইলি পরিকল্পনার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি এসব কথা বলেন।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিলিস্তিন বিরোধী ষড়যন্ত্র ‘ডিল অব দ্যা সেঞ্চুরি’ পেশ করেন। এর আওতায় তিনি বায়তুল মুকাদ্দাস বা জেরুজালেম শহরকে দখলদার ইসরাইলের অবিভক্ত রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করেন। এছাড়া তিনি পশ্চিম তীরের উপরও ইসরাইলের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেয়ার প্রস্তাবও করেন ট্রাম্প।

ইসরাইল বলেছে, তারা আগামী ১ জুলাই পশ্চিম তীরের কিছু অংশ ইসরাইলের সাথে একীভূত করে নেবে। বিষয়টি নিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু ও ব্লু এন্ড হোয়াইট পার্টির নেতা বেনি গান্তেজের মধ্যে সমঝোতাও হয়েছে। এই পরিকল্পনাটি সারাবিশ্বের নিন্দা কুড়িয়েছে। বিশেষ করে তুরস্ক এর জোরালো প্রতিবাদ করেছে।

এরদোগান বলেন, গত সপ্তাহে আমরা দেখেছি ইসরাইল নতুন একটি বসতি স্থাপন ও দখলদারিত্ব প্রকল্প শুরু করেছে যা আন্তর্জাতিক আইন ও ফিলিস্তিনের স্বার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পশ্চিমতীরে ইসরাইলের সব বসতি অবৈধ। কিন্তু তারপরও দেশটি এই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *