করোনায় আক্রান্ত শহীদ আফ্রিদি

শহীদ আফ্রিদি করোনায় আক্রান্ত

খেলা

করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন শহীদ আফ্রিদি। আক্রান্ত হওয়ার খবর নিজেই জানিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক তারকা ক্রিকেটার। টুইটারে এক বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, ‘বৃহস্পতিবার থেকে আমার শরীরটা ভাল যাচ্ছে না। শরীরে ব্যথা শুরু হয়েছে। আমার টেস্ট হয়েছে। এবং দু:খজনক হলো আমি পরীক্ষায় আমার করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। আমার দ্রুত আরোগ্যের জন্য দোয়া করবেন, ইনশা আল্লাহ।’

পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের মধ্যে শহীদ আফ্রিদি দ্বিতীয় যিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেন। এর আগে তৌফিক উমর করোনা পজিটিভ শনাক্ত হন। তবে কিছুদিন আগে তিনি জানিয়েছেন তিনি সম্পূর্ণ আরোগ্যলাভ করেছেন।

এর মধ্যে পাকিস্তানে লেগ স্পিনার রিয়াজ শেখসহ অন্তত দু’জন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। ক্রিকেটের পিচে শহীদ আফ্রিদির পদচারণ শুরু হয় ১৯৯৬ সালে। তিনি এ পর্যন্ত ২৭টি টেস্ট, ৩৯৮ ওডিআই এবং ৯৯টি টি-২০ খেলেছেন।

শহীদ আফ্রিদি ২০১১ সালে ওডিআই ওয়ার্ল্ড কাপে পাকিস্তান দলে নেতৃত্ব দেন। কিছু দিন আগে শহীদ আফ্রিদি ২০ হাজার ডলার দিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমের একটি ব্যাট কিনে নেন। দরিদ্রদের জন্য তহবিল তৈরির লক্ষ্যে তার একটি ঐতিহাসিক ব্যাট নিলামে তুলেছিলেন মুশফিক। করোনাভাইরাসে কাজের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে জীবনযাপন কষ্টকর হয়ে যাওয়া মানুষের সহায়তায় তহবিল তৈরির চেষ্টা করছিলেন তিনি।

পাকিস্তানে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্তের সর্বোচ্চ রের্কড

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে পাকিস্তানে। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৬ হাজার ৪৭২ জন প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। যা দেশটিতে এ পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রের্কড। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে অন্তত ৮৮ জন। শনিবার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন।

আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডওমিটারসে দেয়া সর্বশেষ তথ্যমতে, পাকিস্তানে গত একদিনে নতুন করে আরও ৬ হাজার ৪৭২ জন মানুষের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে সর্বমোট করোনা রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৩২ হাজার ৪০৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে ৮৮ জন। এ পর্যন্ত মারা গেছে ২ হাজার ৫৫১জন। সুস্থ হয়েছেন ৫০ হাজার ৫৬ জন। হাসপাতালে ও হোম কেয়ারে চিকিৎসাধীন ৭৯ হাজার ৭৯৮ জন। এদের মধ্যে ১১১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এ পর্যন্ত মোট আক্রান্তের শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে পাঞ্জাব প্রদেশ। সেখানে ৫০ হাজার ৮৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। সিন্ধ প্রদেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৯ হাজার ২৫৬ জন। খাইবার পাখতুন প্রদেশে ১৬ হাজার ৪১৫ জন, বেলুচিস্তানে ৭ হাজার ৮৬৬ জন, রাজধানী ইসলামাবাদে ৭ হাজার ১৬৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।

এছাড়া গিলগিট-বালতিস্তানে ১ হাজার ৪৪ জন এবং আজাদ কাশ্মীরে ৫৭৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। ডন, আনাদোলু।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *