দেশে করোনায় মৃত্যু ২ হাজার ছাড়াল

বাংলাদেশ লিড নিউজ

ঢাকা- বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যু ২ হাজার ছাড়াল। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট মারা গেছেন ২ হাজার ৫২ জন। এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২ হাজার ৭৩৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ লাখ ৬২ হাজার ৪১৭ জনের।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে রোববার এ তথ্য জানানো হয়। ব্রিফিংয়ে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৯০৪ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৭২ হাজার ৬২৫ জন। শনিবার দেশে করোনায় ৩ হাজার ২৮৮ জন শনাক্ত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। মারা গিয়েছিলেন ২৯ জন।

আরও পড়ুন

[মায়ের করোনা পরীক্ষা তো হলোই না, উল্টো মার খেলেন ছেলে]

[করোনা চিকিৎসায় ভেন্টিলেটর দরকার নেই: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী]

ব্রিফিংয়ের তথ্যমতে, ১৩ হাজার ৯৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়। আগের দিন ১৪ হাজার ৭২৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। এখন পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৮ লাখ ৪৬ হাজার ৬২টি নমুনা। দেশে ৭১টি ল্যাবের (পরীক্ষাগার) মধ্যে ৬৪টির পরীক্ষার ফল পাওয়া গেছে। গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্তের ঘোষণা আসে। ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

বিশ্বে সংক্রমণের তুলনায় করোনা মৃত্যু বাংলাদেশে সবচেয়ে কম।  তথ্য-উপাত্ত তুলনায় দেখা গেছে, প্রতিবেশী দেশ ভারতের মৃত্যুহার সেই সঙ্গে সুস্থতার হারও বাংলাদেশের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি। দেশটিতে মৃত্যুহার ২.৮৮ শতাংশ আর সুস্থতার হার ৫০.৪৫ শতাংশ। পাকিস্তানে মৃত্যুহার ১.৯ শতাংশ আর সুস্থতার হার ৩৭.৮৬ শতাংশ।

এশিয়ায় এমনকি বিশ্বে সুস্থতার হার সবচেয়ে বেশি চীনে, ৯৪.২৭ ভাগ। কিন্তু মৃত্যুহার বাংলাদেশের প্রায় ৪ গুণ (৫.৫ শতাংশ)। সর্বাধিক করোনাপীড়িত যুক্তরাষ্ট্রে ৩৯.৮৭ ভাগ রোগীই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। কিন্তু আক্রান্তের তুলনায় দেশটির মৃত্যুহারও অনেক বেশি (৫৪১ শতাংশ)।

ইউরোপের দেশগুলোতে মৃত্যু ও সুস্থতার এ হার আরও বেশি। ইতালিতে ৭৩.৮৯ শতাংশ ও জার্মানিতে ৯১.৮৮। দেশ দুটির মৃত্যুর হার যথাক্রমে ১৪ শতাংশ ও ৪.৫ শতাংশ।

করোনার ঝুঁকি এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে সবাইকে অনুরোধ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা। অনলাইন ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘করোনাকালে বাসায় থাকুন, সুস্থ থাকুন।’

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যারা মারা যাচ্ছেন, তাদের মধ্যে ষাটোর্ধ বয়সের মানুষ বেশি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, এ পর্যন্ত যারা মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদের মধ্যে ষাটোর্ধ বয়সের মানুষের মৃত্যুর হার ৪৩. ২৭ শতাংশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *