রিজেন্ট গ্রুপের এমডি মাসুদ পারভেজ গ্রেফতার

বাংলাদেশ লিড নিউজ

রিজেন্ট গ্রুপের এমডি মাসুদ পারভেজ গ্রেফতার । আজ (মঙ্গলবার) বিকালে গাজীপুরের কাপাসিয়া থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক আশিক বিল্লাহ সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর জাগো নিউজ ও বাংলা ট্রিবিউন।

সরকারের সঙ্গে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে টাকার বিনিময়ে করোনাভাইরাস শনাক্তের নমুনা সংগ্রহ করা এবং ভুয়া সনদ দেয়ার অভিযোগ ৬ জুলাই র‌্যাব রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালায়। পরদিন উত্তরা পশ্চিম থানায় র‌্যাব বাদী হয়ে সাহেদ করিমকে এক নম্বর আসামি করে মামলা করে। সাহেদ এখনো পলাতক বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

করোনা পরীক্ষা না করে সনদ দেয়া রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ওরফে মো. সাহেদের নামে অর্থ আত্মসাতের দুই মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম মঈনুল ইসলাম মামলা আমলে নিয়ে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

নানা অনিয়ম, প্রতারণা, সরকারের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গ ও করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ উঠে রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগে হাসপাতালটির প্রধান কার্যালয়, উত্তরা ও মিরপুর শাখা সিলগালা করে দিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ

এরপর প্রতারণার অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদকে এক নম্বর আসামি করে ১৭ জনের নামে মামলা করা হয়। মাসুদ পারভেজ এই মামলার দুই নম্বর আসামী। সাহেদসহ এখনো নয়জন্ আসামী পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেপ্তার করার জন্য সব রকম চেষ্টা চাল্লাচ্ছে র‌্যাব ও পুলিশ বাহিনী।

এদিকে র‌্যাব জানিয়েছে পলাতক সাহেদকে ধরতে এরই মধ্যে র‌্যাবের একাধিক টিম মাঠে নেমেছে। আইনশৃংখলা বাহিনীর অন্যান্য সংস্থাও কাজ করছে। ইতিমধ্যে রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে র‌্যাব সদর দফতরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ জাগো নিউজকে বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় গাজীপুরের কাপাসিয়া থেকে র‌্যাবের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে। দায়ের করা মামলায় রাতেই তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হবে।

এদিকে করোনাভাইরাস পরীক্ষা না করে সার্টিফিকেট প্রদানসহ বিভিন্ন অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে র‌্যাবের দায়ের করা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে।

গত ৭ জুলাই মধ্যরাতে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় র‌্যাব বাদী হয়ে ওই মামলাটি করে, মামলা নং ৫। মামলাটি তদন্ত করে আসছিলেন উত্তরা পশ্চিম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর গাজী। তিনি আজ (১৪ জুলাই) রাতে বলেন, কমিশনারের নির্দেশে মামলার তদন্তভার ডিবির উত্তরা টিমে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. শফিকুল আলম বলেন, মো. সাহেদ সম্পর্কে প্রতারণার খবর এখন সবারই জানা। এখন তাকে গ্রেফতার করাই হচ্ছে আসল কথা। তাকে গ্রেফতারে ডিবির টিম কাজ করছে। সাহেদের অবস্থান ও তার প্রতারণা বা অপকর্ম সম্পর্কে কারও কাছে তথ্য থাকলে তা জানানোর আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন-

দুই সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ চলছে

ডা. সাবরিনার ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *